নদী পারাপারের জন্য কোনো সাঁকো না থাকায় সাঁতরে নদী পার হতে গিয়ে নদীতে তলিয়ে গেলেন এক ব্যক্তি

বাপি দাস Sep 14, 2020 - Monday আলিপুরদুয়ার 59


রবিবার রাতে বাড়ী যাবার পথে ডিমা নদী পারাপার করতে গিয়ে নদীতে তলিয়ে গেলেন


আলিপুরদুয়ার শহর সংলগ্ন দক্ষিণ জিৎপুর এলাকার এক বাসিন্দা সুভাষ বর্মণ (৪৫)


। সকাল থেকেই প্রশাসনের উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা নদীর জলে তল্লাশি চালালেও


তলিয়ে যাওয়া সেই ব্যক্তির কোনো হদিস মেলেনি । তবে এই ঘটনার জন্য স্থানীয়


প্রশাসনের গাফিলতিকেই দায়ী করছেন গ্রামবাসীরা । বর্ষায় নদী পারাপারের জন্য

কোনো সাঁকো বা সেতু না থাকার কারনেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করছেন

গ্রামবাসীদের অনেকাংশেই । তবে ভেসে যাওয়া ব্যক্তি মদ্দত অবস্থায় ছিলেন বলে

অনেকেই অনুমান করছেন, তবে সে ব্যাপারে নির্দিষ্ট ভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না ।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায় রবিবার রাত্রি আনুমানিক দেড় টা নাগাদ আলিপুরদুয়ার

শহর সংলগ্ন দক্ষিণ জিৎপুরের ডিমা নদীর চরের বাসিন্দা পেশায় কাঠমিস্ত্রি সুভাষ

বর্মন নদী সাঁতরে বাড়ি ফেরার পথেই জলের স্রোতে ভেসে যায় । সঙ্গে থাকা তার

ছেলের কথা অনুযায়ী কিছুদূর অবধি তার বাবাকে সে দেখতে পেলেও তার পর তিনি নদীর

জলে তলিয়ে যাওয়া তাকে আর দেখা যায়নি । তারপরে খবর পেয়ে গ্রামবাসীরা নদীর ধার

ধরে বহু খোঁজাখুঁজি করলেও সুভাষ বাবুর কোনো হদিস পাওয়া যায়নি । তারপর সকালে

ঘটনাস্থলে পুলিশ ও সিভিল ডিফেন্সের উদ্ধারকর্মী পৌঁছন এবং তলিয়ে যাওয়া

ব্যক্তির সন্ধানে নদীতে নামেন ,তবে সন্ধে অবধি তলিয়ে যাওয়া ব্যক্তির কোনো

হদিস পাওয়া যায়নি। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ নদীর ওপর পারাপারের জন্য

অস্থায়ী ভাবে বাসের সাঁকো বানানো হলেও প্রতিবছর বর্ষায় সেই সাঁকোও নদীর জলে

ভেসে চলে যায়,তারপর বর্ষার বাকি দিনগুলো সাঁকো ছাড়াই প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে নদী

পারাপার করতে বাধ্য হন গ্রামবাসীরা । এবার বর্সাতেও বাসের সাঁকো ভেসে যাওয়ার

পরে বহুবার বলা সত্বেও পুনরায় নদীর ওপর কোনো সাঁকো তৈরির ব্যাবস্থা করা হয়নি

,আর এর ফলেই এমন একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে গ্রামবাসীদের অভিযোগ । স্থানীয়

বাসিন্দা মিনতি রায় বলেন, “ প্রতিবছরই বর্ষায় সাঁকোর অভাবে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে

নদী পারাপার করতে হয়, সাঁকো থাকলে হয়তো এমন ঘটনা ঘটতো না ” । এলাকার

পঞ্চায়েত সদস্য রত্নদীপ ভট্টাচার্য বলেন , “ঘটনাটি খুবই দুর্ভাগ্যজনক ।

বাসিন্দাদের পারাপারের জন্য নদীর ওপর বাসের সাঁকো ছিল,কিন্তু নদীর জল বেড়ে



যাওয়ায় সেই সাঁকো ভেসে চলে গেছে, নদীর জল বেশি থাকায় পুনরায় সাঁকোটি বানানো

সম্ভব হয় নি । তবে এখানে একটি স্থায়ী কাঠের সাঁকো বানানোর চেষ্টা করা হচ্ছে ” ।

আপনাদের মূল্যবান মতামত জানাতে কমেন্ট করুন ↴

সবার আগে খবর পেতে , পেইজে লাইক দিন

আপনার পছন্দ

বিজ্ঞাপন
PMJOK


আরও খবর

বিজ্ঞাপন
PMJOK
HS02