নদীয়ার শান্তিপুরে জনপ্রিয় খেলা "কবাডি"র বাৎসরিক প্রতিযোগিতায় হাজারো দর্শকের উচ্ছাস রাতভোর

মলয় দে Nov 02, 2019 - Saturday নদীয়া 283


জাতীয় খেলা কাবাডি কে না জানে! কিন্তু চাক্ষুষ দেখার সৌভাগ্য হয়তো অনেকেরই হয়নি, বিশেষত শহরে বাস করা এ প্রজন্মের কম্পিউটার ইন্টারনেটে ব্যস্ত থাকা যুব সমাজের।

নদিয়ার শান্তিপুর ব্লকের গয়েশপুর পঞ্চায়েতের টেংরিডাঙ্গা গ্রামে সারা রাত্রি ব্যাপী ২০ দলীয় কাবাডি খালার আয়োজন করা হয়। এই খেলায় উইনার্স ২ গ্রাম সোনা,রানার্স ৩ টে গৃহ পালিত ছাগল (খাসি)। এছাড়াও কুড়ি দলীয় প্রত্যেক টিমের খেলোয়াড় দের একটি করে জার্সি দেওয়া হয়। গ্রামের এই কাবাডি খেলা দেখতে প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার মানুষের ভিড় দেখা যায় রাত ৮ টা থেকে ভোর ৬ টা পর্যন্ত খোলা আকাশের নিচে। সারা রাত ব্যাপী চলে এই খেলা।

বাংলার বিভিন্ন জেলা থেকে অংশ গ্রহন করে এই কবাডি খেলাতে। স্থানীয় উদ্যোক্তারা বলেন, তারা এই জনপ্রিয় কবাডি খেলা বিগত ১০ বছর ধরে আনুষ্ঠানিকভাবে করে আসছেন। গ্রামের মানুষ অতি উৎসাহের সাথে সারারাত জেগে খেলা দেখে আনন্দ উপভোগ করে, তাছাড়াও গ্রামের অলিতে গলিতে মেলা বসতে দেখা যায়। কমিটির পক্ষ থেকে খেলোয়াড় দের জন্য রাতে খাবারের আয়োজন করাহয়। উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে জানা যায় এই খেলাটি মূলত গ্রামাঞ্চলের কৃষকদের মধ্যে আজও বেঁচে আছে, তাই তারা অনুশীলন করেন সারাদিন কাজের পর অবসর সন্ধ্যায়। অত্যন্ত দারিদ্রতার সঙ্গে লড়াই করা খেলোয়াড় একদিনের কাজ বন্ধ করলে খাবে কি?? খেলোয়াড়দের মধ্যে পঞ্চাশোর্ধ বেশকিছু মানুষকে দেখা যায়, অসাধারণ দম এবং দৈহিক সক্ষমতা না হলে এই খেলায় পারদর্শী হওয়া যায়না। সাতজন বিপক্ষ টিম একজনকে ধরে রাখতে চেষ্টা করে, সুতরাং দৈহিক বল ভীষণভাবে প্রয়োজন এই খেলায়।

আপনাদের মূল্যবান মতামত জানাতে কমেন্ট করুন ↴

সবার আগে খবর পেতে , পেইজে লাইক দিন

আপনার পছন্দ

বিজ্ঞাপন
PMJOK

আরও খবর

বিজ্ঞাপন
PMJOK